Monday, June 27, 2011

প্রেম এবং প্রেমিক প্রেমিকার প্রতিক্রিয়ার পার্থক্য (যারা প্রেম করছেন কিংবা করবেন ভাবছেন তাদের জন্য অবশ্যপাঠ্য)

প্রেমে ঝগড়া থাকবেই। জ্ঞানীরা বলেন- ঝগড়া ছাড়া প্রেম আর মশলা ছাড়া তরকারী সমান কথা। বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বড় ঝগড়া হয়ে যায় প্রেমিক প্রেমিকার মাঝে। ঐসব ঘটনার পর প্রেমিক এবং প্রেমিকার প্রদর্শিত প্রতিক্রিয়ার মাঝে যে পার্থক্য দেখা যায় তা নিয়েই লিখেছেন - Robin


ঘটনাঃ কোন কারনে ছেলে কিংবা মেয়ের মোবাইল বন্ধ ছিলো।
প্রেমিকের প্রতিক্রিয়াঃ এই! ফোন অফ ছিলো কেনো? শরীর খারাপ ছিলো? বেশী ঘুমে ধরেছিলো। তাই না? এখন কেমন লাগছে জান?
প্রেমিকার প্রতিক্রিয়াঃ এই! তুমি আর জীবনে আমারে ফোন দিবা না। সারারাত তোমার ফোন অফ ছিলো। আমি একশবার চেষ্টা করেও পাই নাই। আর কখনো আমার সাথে যোগাযোগ করবা না। রাখলাম ফোন। বাই। X((

ঘটনাঃ ছেলে অথবা মেয়ের হয়তো বিপরীত লিংগের কারো সাথে ভালো বন্ধুত্ব।
প্রেমিকের প্রতিক্রিয়াঃ এই শুনছো? ঐ ছেলের ভাবভঙ্গি বেশি সুবিধার না। সে মনে হয় তোমার প্রেমে পড়েছে। হা হা হা। যাই হোক। ওকে এভয়েড করো একটু। ঠিক আছে?
প্রেমিকার প্রতিক্রিয়াঃ এই মেয়ের সাথে এতো কি শুনি? কোন সাহসে ঐ মেয়ে তোমাকে রাতে ফোন দেয়? লাগবে না আমার সাথে আর কথা বলা দেখা করা। ঐ মেয়ের সাথেই যাও। 

ঘটনাঃ কোন একজনের ডেটিং-এ দেরী করে আসা।
প্রেমিকের প্রতিক্রিয়াঃ এই! এতোক্ষন দেরী হলো কেনো? পথে কোন সমস্যা ছিলো? ফোনেও পাই নাই তোমাকে। টেনশনে আমি ঘামছি দেখো। আমার খারাপ লাগে নি? তুমিই বলো। একবার অন্তত জানাতে পারতা! তাই না?
প্রেমিকার প্রতিক্রিয়াঃ এতোক্ষনে আসার সময় হলো? আমি এক ঘন্টা যাবত বসে আছি। কোন মানে হয় এগুলোর? লাগবে না আর আমার সাথে দেখা করা। তুমি থাকো তোমার মতো। X((

ঘটনাঃ কোন একজনের শরীর খারাপ হয়েছে।
প্রেমিকের প্রতিক্রিয়াঃ হায় হায় বলো কি! কিভাবে? এখন কি অবস্থা? ওষুধ খেয়েছো? খাও নি? তাড়াতাড়ি ওষুধ খাও। প্লিজ প্লিজ প্লিজ।
প্রেমিকার প্রতিক্রিয়াঃ কচু কচু কচু। তোমার মাথা মাথা মাথা। আমি তোমাকে বলিনি বৃষ্টিতে ভেজার দরকার নাই?(কান্নাকাটি :(( )। এখন জর উঠছে। ভালো হইছে। আমার কথা তো শুনবা না। এখন মরো।X((

ঘটনাঃ কোন সমস্যার কথা কেউ একজন শেয়ার না করা।
প্রেমিকের প্রতিক্রিয়াঃ তুমি আমারে এইটা আগে বলবা না? বললে অন্তত সাথে থাকতে পারতাম। স্বান্তনা দিতে পারতাম। তুমিই বলো পারতাম না?
প্রেমিকার প্রতিক্রিয়াঃ ও! আমার সাথে শেয়ার করবা কেনো? আমি তোমার কে? আমি তোমার কেউ না। আমার সাথে আর প্রেম করতে হবে না। যার সাথে শেয়ার করবা তার সাথেই করোগে যাও। X((

আরো জানতে চাইঃ(আ.জা.চা.)

অডেস্ক পেওনিয়ার ডেবিট মাস্টারকার্ড সম্পর্কে বাংলাদেশে অনেক গুজব রয়েছে। আমি এ বিষয়ে অনেক ফোরামে পড়েছি, অতএব আমি একটা আ.জা.চা. তালিকা তৈরী করেছি।

প্রশ্নঃ আমি কি অডেস্ক ডেবিট মাস্টার কার্ডের জন্যে আয় রোজগার বা চাকরী পাওয়ার আগে আবেদন করতে পারবো ?

উত্তরঃ অবশ্যই তুমি আবেদন করতে পারো, কিন্তু আমার মনে হয় না যে পেওনিয়ার এই আবেদনটি গ্রহণ করবে। কারণ, তোমাকে কার্ড দেওয়ার জন্যে তারা একটাই লাভ পায় সেটা হলো তোমার কাছ থেকে পাওয়া মাসিক চার্জ। যদি কোন আয় রোজগারই নেই, তবে মাস্টারকার্ড নেওয়াটাও অহেতুক।

প্রশ্নঃ আমি কি বাংলাদেশ থেকে অডেস্ক পেওনিয়ার ডেবিট মাস্টারকার্ড-এর জন্যে আবেদন করে কার্ড পেয়ে যাবো?

উত্তরঃ হ্যাঁ। তুমি পেয়ে যাবে আর বাংলাদেশে ইতোমধ্যে প্রায় দুই হাজারের এর চেয়ে বেশি ফ্রি-লেন্সার বা অস্থায়ী কর্মী অডেস্কে কাজ করছে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার ডেবিট মাস্টারকার্ড পেতে কত সময় লাগতে পারে ?

উত্তরঃ অডেস্ক ডেবিট কার্ডটি তোমার ঠিকানায় সাধারণ ডাক দ্বারা পাঠানো হবে(কোন বানিজ্যিক ডাক। যেমনঃ ফেডেক্স কিংবা ইউপিএস-এ নয়) আর এতে তোমার ঠিকানায় কার্ডটি পৌছাতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লেগে যেতে পারে।

প্রশ্নঃ অডেস্ক ডেবিট কার্ড পাওয়ারড্‌ বাই পেওনিয়ার-এর মাসিক চার্জ আর উত্তোলন চার্জ কত?

উত্তরঃ নুন্যতম উত্তোলন চার্জ হবে ২ ডলার আর ফি ২ ডলার প্রতি উত্তোলনে। তোমার ডেবিট কার্ডের মাসিক চার্জ ৩ ডলার।

প্রশ্নঃ “অডেস্ক ডেবিট কার্ড পাওয়ারড্‌ বাই পেওনিয়ার” ব্যবহার করে টাকা উঠানোর জন্যা আমি কোথায় এটিএম কেন্দ্র খুঁজে পাবো?

উত্তরঃ তুমি যেকোন এটিএম কেন্দ্র বা বুথ্‌ থেকে অডেস্ক ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে টাকা উঠাতে পারো। এই কার্ডটি অধিকাংশ এটিএম বুথ-এ কার্যকর যেমনঃ-ডাচ্-বাংলা ডিবিবিএল-এর এটিএম বুথ। ঢাকাতে আরো অনেক এটিএম বুথ রয়েছে যেখানে এটি কাজ করে।

প্রশ্নঃ আমি কি এই কার্ডটি দিয়ে অনলাইনে ক্রয়ের অথবা খরচের কাজে ব্যবহার করতে পারবো?

উত্তরঃ হ্যাঁ। তুমি এই কার্ডটি দিয়ে অনলাইনে ক্রয় অথবা খরচে ব্যবহার করতে পারবে।

প্রশ্নঃ অডেস্কের ডেবিট মাস্টারকার্ডের চার্জটি কি খুব বেশি নয়?

উত্তরঃ যদি তুমি সপ্তাহে প্রচুর আয় করে থাকো, তবে এই খরচটি তোমাকে ভাবাতে পারবে না। অন্তত, এতো ভালো সুযোগ-সুবিধা তুমি খুব নুন্যতম মুল্যে পাচ্ছো।

বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি


 তুমি কি আমার অডেস্কে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক নিবন্ধটি পড়েছো? তুমি অডেস্কের মাধ্যমে অডেস্ক অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারো। অডেস্ক থেকে অর্থ প্রাপ্তি অনেক সহজ কাজ কারণ এখানে ৫টি পদ্ধতি রয়েছে টাকা পাওয়ার। তুমি তোমার বেতন বা আয় মানিবুকারস্‌-এর মাধ্যমে উঠাতে পারো এরপর টাকাটি তোমার ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে পারো আর পেপেল পদ্ধতিটি তো অবশ্যই খোলা আছে।
বাংলাদেশে অথবা সেসব দেশে যেখানে পেপেল সুবিধা নেই সেখানে অনলাইনের টাকা পাওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হচ্ছে পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ড।

পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ড কি?

এটি অন্য সব ক্রেডিট কার্ডের মতই, এটি একটি বাস্তব কার্ড(ভার্চুয়াল নয়), এটি অন্য সকল প্লাস্টিক কার্ডের মতই কাজ করে, এটি একটি প্রিপেড বা ডেবিট কার্ড আর এরজন্যে তোমার কোন ব্যাংক একাউন্টও থাকা প্রয়োজন নয়। এটি তোমার অডেস্ক প্রোফাইলের সাথে সংযুক্ত থাকে আর তুমি তোমার অডেস্ক ইনকাম ডেবিট কার্ডে নিয়ে আসতে পারো।

অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া
এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড
এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।
ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি
মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌

কিভাবে কার্যকর ব্লগ বিবরণ আর কি-ওয়ার্ড লেখা যায়?

কী-ওয়ার্ড নির্ধারণ আর বিবরণ দেওয়া ব্লগ এস. ই. ও. -এর জন্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক। উপকারী কি-ওয়ার্ড নির্ধারণ করলে এবং ওয়ার্ডগুলোকে “ব্লগ” বিবরনে রাখলে। হয়তোবা, তোমার সাইট যেকোন সার্চ প্রক্রিয়ায়ে শীর্ষে অবস্থান করবে আর প্রচুর সার্চ ট্রাফিক বা সার্চ করে আসা পাঠক যোগাবে।
একদম শুরুতে ব্লগারেরা বুঝে উঠতে পারে না যে, কি করতে হবে আর কি নয়? “কি-ওয়ার্ড” বানানো সহজ, কিন্তু তা বিবরণে কিভাবে ব্যবহার করবে? সার্চ প্রক্রিয়ায়ে কিছু ব্যাপার একত্রে ঘটে। অনেক ব্লগারেরা তাদের সাইটটি কিছু মাসের মধ্যেই সার্চের উর্ধ্ব্যে দেখতে পায় আর কখনো কখনো এগুলো প্রচুর পাঠক আনতে সক্ষম হয় না।


উদাহরণস্বরুপ, আমার প্রথম ব্লগ গুগলে খুব ভালো সার্চ অবস্থান আছে। যদি তুমি “Bangladesh MLM” দিয়ে খুঁজে থাকো আর দুয়েকটা অন্যান্য সার্চেও। কিন্তু, কথা হচ্ছে আমি এর জন্যে দৈনিক হাজারো পাঠক পাচ্ছি না কারণ এটা একটা জনপ্রিয় কি-ওয়ার্ড নয়! এ থেকে আমি যা বুঝতে পারলাম তা হলো যে, আমাকে আরো জনপ্রিয় কি-ওয়ার্ডগুলো খুঁজে বের করতে হবে আর জনপ্রিয় কি-ওয়ার্ড থেকে পাঠক পাওয়ার জন্যে অনেক সময় আর পরিশ্রম লাগবে।
যেমন ধরো, তুমি তোমার ব্লগ গুগলে সার্চ করলে তখন গুগলে তোমার ব্লগের থেকে পাওয়া প্রথম ১৬০টি অক্ষরই দেখাবে। অতএব, এখানে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে তোমার ব্লগের জন্যে তোমাকে একটা বিশেষ মেটা-বিবরণ বানাতে হবে। তোমার ব্লগের প্রধান কি-ওয়ার্ডগুলো মেটা বিবরণে ব্যবহার করো। তোমার ব্লগের নাম ব্যবহার করো না, সেটি এখানে অপ্রয়োজনীয়।